Main Menu

বাংলাদেশে করোনায় মত প্রকাশে বাধা আর্টিকেল ১৯

আর্টিকেল–১৯ করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে বাক-স্বাধীনতার উপরে বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত ক্রাকডাউনে উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে এই সময়ে বাংলাদেশে করনা মহামারী নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন প্রকাশের উপরে আক্রমণ একটা ব্যাপকতা পেয়েছে।

সরকার ক্রমবর্ধমানহারে গভীরভাবে ত্রুটিপূর্ণ ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করছে । এর আওতায় সাংবাদিকরা হয়রানি, অভিযুক্ত এবং গ্রেফতার হচ্ছেন।

জনগণও তাদের ভিন্নমত প্রকাশের উপর বাধানিষেধের সম্মুখীন হচ্ছেন । চিকিৎসা পেশাজীবিদেরকে বলা হয়েছে, মিডিয়ার সঙ্গে কথা না বলার জন্য।

সামাজিক মিডিয়াকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে । এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের সমালোচনা করা হয়েছে, সামাজিক মিডিয়ায় প্রকাশিত এমন কোন পোস্ট এ কোনো মন্তব্য, শেয়ার বা লাইক না দিতে।

এভাবে মহামারির মধ্যে বাকস্বাধীনতার উপরে ক্রাকডাউন জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশে যারা মহামারিতে সরকারি পদক্ষেপ সম্পর্কে সমালোচনামূলক কথাবার্তা বলে থাকেন, তাদের উপর ব্যাপক গুরুতর বাধানিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই মুহূর্তে কেবলমাত্র মতামত প্রকাশের দায়ে এক ডজনেরও বেশি সাংবাদিক, ব্লগার এবং অ্যাক্টিভিস্ট বা অধিকার কর্মী কারাগারে রয়েছেন ।

আর্টিকেল ১৯ এর আঞ্চলিক পরিচালক ফারুক ফয়সাল বলেছেন, এটা খুবই বেদনাদায়ক যে, মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণকালে সরকার সাংবাদিকদের কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে ব্যবহার করছে।

এই আইন বাকস্বাধীনতাকে ক্রিমিনালাইজ করেছে এবং এর বিভিন্ন সংজ্ঞা ও বিধানগুলোর ব্যাপকতা ও অস্পষ্ট রেখে একতরফা ক্ষমতার প্রয়োগ নিশ্চিত করেছে।

ফারুক ফয়সাল আরো বলেছেন, মহামারীতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করার জন্য সাংবাদিক এবং নাগরিকদের অধিকার প্রয়োগ করতে দেয়া উচিত । সরকারের আরো উচিত হবে অবিলম্বে সাংবাদিকদের মুক্তি নিশ্চিত করা এবং বাক স্বাধীনতার অধিকার এবং তথ্যে প্রবেশাধিকারে বাংলাদেশ যে শ্রদ্ধাশীল সেটার প্রমাণ রাখা।

মহামারীতে সাংবাদিক গ্রেপ্তারের ব্যাপকতা

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়া থেকে সাংবাদিক, অধিকার কর্মী এবং বাংলাদেশ সরকারের সমালোচকদের গ্রেপ্তারে ব্যাপকতা পাচ্ছে। এর কারণ তারা সরকারের সমালোচনা করে বলছেন, মহামারী মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতিতে ঘাটতি রয়েছে। সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা দুর্বল। ভাইরাসের বিস্তারের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৬ জন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । এদের মধ্যে অনেকেই ২০২৮ সালের ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এর আওতায় অভিযুক্ত হয়েছেন । সংকট সম্পর্কে সাংবাদিক এবং ব্লগারদের রিপোর্টিং করা ক্রমশ দুরূহ হয়ে পড়ছে। গ্রেফতারের বিবরণী যেমনটা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে, তেমনি গত এপ্রিল থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার কথিতমতে বন্ধ করার নামে সাংবাদিকদের চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

গত ৬ মে একজন কার্টুনিস্ট, দুজন সাংবাদিক এবং একজন লেখককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় অভিযুক্ত করা হয়েছে । তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তারা গুজব ছড়িয়েছে । এবং সরকারবিরোধী তৎপরতায় সামিল হয়েছেন। কথিতমতে তারা এমন বার্তা পোস্ট করেছেন, যাতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মহামারী জাতীয় ভাবমূর্তিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে। এবং সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার উদ্রেক হয়েছে । চারজনকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে । অন্যরা হলেন ব্লগার এবং সাংবাদিক, যারা বাংলাদেশের বাইরে থাকেন।

যে অভিযোগ আনা হয়েছে

আহমেদ কবির কিশোর: তার বিরুদ্ধে সরকারের করোনা ভাইরাস বিরোধী কার্যক্রমে কথিত মতে দুর্নীতির বিষয়ে ধারাবাহিক সমালোচনামূলক ব্যাঙ্গাত্মক উপকরণ পোস্ট করা হয়েছে । এই অভিযোগে তার ফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে।

মুস্তাক আহমেদ : তিনি চিকিৎসকদের পিপিইর ঘাটতি বিষয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন।

তাসনিম খলিল, নেত্র নিউজের সম্পাদক : তিনি একটি ফাঁস হওয়া জাতিসংঘের স্মারক প্রকাশ করেছিলেন, যাতে বলা হয়েছিল অনতিবিলম্বে ভাইরাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে ২০ লাখ বাংলাদেশীর মৃত্যু ঘটতে পারে।

দিদারুল ভূঁইয়া : একজন অ্যাকটিভিস্ট এবং মহামারী মোকাবেলায় সরকারের মানবিক কার্যক্রম নজরদারি করার জন্য গঠিত একটি মনিটরিং কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন । তিনি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন, যাতে বলা হয় যে, বেশিরভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী শুধু ন্যূনতম সরকারি সহায়তা লাভ করেছেন।

একই সপ্তাহে, নরসিংদী থেকে প্রকাশিত দৈনিক গ্রামীণ দর্পণ পত্রিকার তিনজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়। বার্তা সম্পাদক রমজান আলী প্রামানিক, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল নরসিংদী প্রতিদিন এর প্রকাশক এবং সম্পাদক শাওন খন্দকার শাহিন। লকডাউন আইন লঙ্ঘনের দায়ে নিরাপত্তা হেফাজতে থাকা এক ব্যক্তির মৃত্যুর বিষয়ে তারা রিপোর্ট করলে গ্রেপ্তারের সম্মুখীন হন।

দি ফোরাম ফর ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন, বাংলাদেশ গত এপ্রিলে রিপোর্ট করেছিল যে, প্রায় ২১০ জন সাংবাদিক আক্রান্ত, হয়রানি, নির্যাতন কিংবা গ্রেপ্তারের সম্মুখীন হন, কারণ তারা ত্রাণ বিতরণে চুরি, দুর্নীতি এবং জবাবদিহিতার অভাব বিষয়ে রিপোর্ট করেছিলেন। ওই খাদ্যসহায়তা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ছিল নির্দিষ্ট, যারা কঠিন অবস্থার মুখোমুখি হয়েছেন।

করোনাভাইরাস এবং বাক স্বাধীনতা

সরকারের করোনাভাইরাস মোকাবেলা বিষয়ক যে কোন সমালোচনামূলক কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করে দিতেই ক্রাকডাউন চালানো হয়। এবং তারই অংশ হিসেবে ওই গ্রেপ্তার পর্ব চলে । হিউম্যান রাইটস ওয়াচ গত ৭ মে এক রিপোর্টে উল্লেখ করে যে, সরকার এই মর্মে এক পরিপত্র জারি করেছে, যাতে বাংলাদেশ সরকারের সমালোচনা রয়েছে, এমন কোন পোস্ট, লাইক, শেয়ার বা মন্তব্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পুলিশের এলিট ইউনিট রেপিড একশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)। তারা সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণ করছে এবং ১০ এপ্রিলের মধ্যে কথিতমতে তারা করোনা ভাইরাস সম্পর্কে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ১০ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

করোনাভাইরাস এবং তথ্যের স্বাধীনতা

করোনাভাইরাস মহামারীতে তথ্য লাভের স্বাধীনতায় অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবি রাখে । কারণ মানুষের জানার অধিকার রয়েছে । সে নিজেকে কিভাবে সুরক্ষা করবে, জরুরী অবস্থায় তার কি করতে হবে এবং এ সংক্রান্ত বিধি নিষেধগুলো কিভবে কি কার্যকর রয়েছে, সেটা জানা তার স্বাধীনতা। আর্টিকেল নাইনটিন একটি নতুন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এনসিউরিং পাবলিক’স রাইট টু নো ইন দ্যা কোভিড–১৯ প্যান্ডেমিক বা মহামারিতে জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিতকরণ শীর্ষক প্রতিবেদনে তারা হাইলাইট করে যে, মানবাধিকার আইনের আওতায় তথ্যে প্রবেশাধিকার, তথ্য এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার রয়েছে।

ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিহত এবং তার সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করতে মহামারী-সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য, যথার্থ এবং যাচাই করার যোগ্য তথ্যে প্রবেশাধিকার গুরুত্বপূর্ণ । এর মাধ্যমে জনগণকে ভয়ঙ্কর গুজবের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ দিতে পারে।

মহামারী করোনা ভাইরাসের মোকাবেলায় সরকারের নেয়া পদক্ষেপের ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে স্বাস্থ্যকর্মীদের বলা হয়েছে, মিডিয়ার সঙ্গে কথা না বলতে । কিন্তু মহামারীর দোহাই দিয়ে হুইসেল ব্লোয়ারদের কন্ঠ স্তব্ধ করা উচিত নয়। জনস্বাস্থ্য পরিকল্পনা এবং তার বাস্তবায়নের মধ্যকার ব্যবধান উদঘাটনে তারাই সাহায্য করেন। তাই তারা যাতে নিগ্রহের শিকার না হন, সেজন্য তাদের সম্পূর্ণ সুরক্ষা পাওয়া আইনানুগ কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

কেবলমাত্র বিধি নিষেধগুলো তখনই ব্যবহার করা যেতে পারে, যখন কেউ মহামারীর সুযোগে অবৈধ কিংবা অনিরাপদ কার্যাবলীর সাথে জড়িত হয়ে পড়ে এবং যারা হুইসেল ব্লোয়ারদের প্রতি হুমকি বা তাদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। সরকারসমূহকে অবশ্যই সংকটের বিষয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে । তারা যখনই যতো পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, তারা তা প্রকাশ্যে করবেন। যা একইসঙ্গে প্রকাশ্য সূত্রগুলো থেকে সহজেই যাচাই করে নেওয়া সম্ভব। জনগনকে অবহিত করার কাজে সাংবাদিকরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। তারা করোনাভাইরাস এর নতুন হটস্পট চিহ্নিত করা, সুরক্ষা বিষয়ক পদক্ষেপ নিতে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা এবং নানা ধরনের ঘাটতি ও ত্রুটি উন্মোচনে সহায়তা দিতে পারে।

২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাংলাদেশের পার্লামেন্টে পাস হয়েছিল ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মসমূহে সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধে সহায়তা দিতে । এই আইন এর আগে ব্যাপকভাবে সমালোচিত তথ্য প্রযুক্তি আইনকে প্রতিস্থাপিত করেছিল। তথ্য প্রযুক্তি আইনটি বাকস্বাধীনতা হরণে যথেচ্ছভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে আগের আইনের পরিবর্তে জারি হওয়া ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন আরও অধিক এবং তীব্র মাত্রায় উৎপীড়নমূলক। আমরা চলতি বছরের প্রথম কয়েক মাসেই কেবল এটা ডকুমেন্টেশন করেছি যে, শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে । এর মধ্যে ২২ জন সাংবাদিক । ২০১৯ সালে এই আইনের আওতায় সারাদেশে মাত্র ৬৩ টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল । সুতরাং গত বছরের তুলনায় এটা একটা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি । ২০১৮ সালে এই আইনের আওতায় মামলা হয়েছিল মাত্র ৩৪ টি।

আর্টিকেল ১৯ সতর্ক করেছে যে এই আইনটি গুরুতররূপে ত্রুটিপূর্ণ এবং এর স্বচ্ছতায় ঘাটতি রয়েছে এবং সার্বিকভাবে এর বিধানগুলো ব্যাপক ও অস্পষ্ট অর্থে ব্যাখ্যা করার সুযোগ রয়েছে।

এই আইন তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের বিষয়ে নিয়ম তৈরি এবং সমালোচনামূলক কণ্ঠস্বর দমন করতে বাংলাদেশ সরকারকে একটি ঢাল তৈরি করে দিয়েছে। এতে সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নেই, সরকারের সমালোচনা নিষিদ্ধ এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে অপরাধীকিকরণ করা হয়েছে। এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা সংস্থাকে অনলাইনে তথ্য অবরুদ্ধ করা বা অপসারণ করার ক্ষমতা দিয়েছে।

বাংলাদেশী সাংবাদিক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাও এই আইনটির সমালোচনা করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ডিজিটাল সুরক্ষা আইনকে "মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর আক্রমণ বলেছে। তাদের মতে এটি যে আইনটিকে প্রতিস্থাপন করেছে, তার চেয়েও বেশি দমনমূলক"। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে যে এটি "বাংলাদেশ সরকার বাকস্বাধীনতার সম্মান করে বলে যেসব দাবি করা হয়ে থাকে, তাকে পুরোপুরি ক্ষুন্ন করে"।

মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের হাইকমিশনার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সকলেই বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের জন্য এই আইনটির সমালোচনা করেছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন

নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তিতে সন্নিবেশিত শর্ত অনুযায়ী মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ বাধ্য। মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং তথ্য পাওয়ার অধিকারগুলি সীমাবদ্ধ হতে পারে, তবে তা আইন দ্বারা সমর্থিত হতে হবে। একটি বৈধ লক্ষ্য থাকতে হবে এবং তা প্রয়োজনীয় এবং আনুপাতিক হতে হবে। জনস্বাস্থ্য সঙ্কটের প্রতিক্রিয়া জানানো সেই বৈধ লক্ষ্যগুলির মধ্যে একটি। তবে সেইকারণে নিশ্চয় দেশগুলিকে সার্বিক মত প্রকাশের অধিকারকে খর্ব করার অধিকার দেয় না।

সুপারিশ

বাংলাদেশ সরকারকে নিম্নলিখিত সুপারিশগুলি বিলম্ব ছাড়াই বাস্তবায়ন করতে হবে:

ডিজিটাল সুরক্ষা আইন ২০১৮ সংশোধন করুন এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ তা নিশ্চিত করুন।

ডিজিটাল সুরক্ষা আইনের আওতায় গ্রেপ্তারকৃত সকল সাংবাদিককে মুক্তি দিন এবং করোনাভাইরাস সম্পর্কে রিপোর্টকারীদের হয়রানির অবসান ঘটান।

মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে মত প্রকাশের স্বাধীনতার গ্যারান্টি দিন।

উৎসঃ   মানবজমিন


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT