Main Menu

বাংলাদেশে প্রবেশ করার ভিসা পাচ্ছেন না কাশ্মীরি শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশে প্রবেশ করার ভিসা পেতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রায় ৩৫০ কাশ্মীরি মেডিকেল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী এক মাস ধরে দিল্লি, কোলকাতা, গৌহাটি ও আগরতলায় আ’টকা পড়ে আছেন।

অন্যদিকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের শিক্ষার্থীরা কোনো সমস্যা ছাড়াই ভিসা পাচ্ছেন। বাংলাদেশে মেডিকেল শিক্ষার জন্য ছাত্রদের পাঠানোর কাজে জ’ড়িতরা বলছেন, ভিসা পেতে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে তারা সমস্যায় পড়েছেন।

কারণ ওই কোর্সের জন্য অর্থ পরিশোধকারী অভিভাবকেরা এখন পরিশোধিত অর্থ ফেরত চাইছেন। বাংলাদেশ, চীন ও অন্যান্য দেশে মেডিকেল শিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী পাঠানোর কাজে নিয়োজিত একটি এডুকেশনাল কনসাল্টেন্সির ম্যানেজার বলেন, ছেলেমেয়েরা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দিল্লি, কলকাতা, গৌহাটি ও এমনকি আগরতলার হোটেলগুলোতে বসে আছে।

সাধারণত কাশ্মীরি শিক্ষার্থীরা দিল্লির বাংলাদেশ হাই কমিশনে ভিসার জন্য আবেদন করে। কিন্তু চলতি বছর আমাদেরকে বলা হয়েছে যে সমমানের সনদপত্র দিলেই কেবল ভিসা দেয়া হবে। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন, খারাপ পরিণতির আ’শঙ্কায় পরিচয় প্রকাশ করতে চাই না। কিন্তু তবুও লিখুন, কারণ আমাদের শিক্ষার্থীরা বে’পরোয়া।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের কূটনীতিকরা ভারতের অন্যান্য রাজ্যের ছাত্রদের ভিসা দিচ্ছে। কিন্তু আমাদেরকে তারা বলছেন যে কাশ্মীরি শিক্ষার্থী নিয়ে কিছু সমস্যা আছে। আরেকটি এডুকেশনাল কনসালটেন্সির ম্যানেজার বলেন, প্রায় ২০ জনের মতো কাশ্মীরি শিক্ষার্থীকে ভিসা দেয়া হয়েছে এবং তারা বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে যোগ দিয়েছেন।

ফলে আমরা ভাবছি যে ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে এমন কিছু ঘটে থাকতে পারে। হয়তো ভারত সরকারের নির্দেশনাতেই কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের ভিসা দেয়া হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, গৌহাটিতে বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনার দীর্ঘ দিনের ছুটিতে রয়েছেন। ফলে গত দু’দিন ধরে আগরতলা মিশনের সহকারী হাই কমিশনার কিরিটি চাকমা ভারপ্রাপ্ত কমিশনার হিসেবে গৌহাটিতে দায়িত্ব পালন করছেন।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ভিসা তিনি পেয়েছেন। কিন্তু ১৫ জন কাশ্মীরি ছাত্রের ভিসা আবেদন আ’টকে আছে। এসব শিক্ষার্থী গৌহাটি থেকে আবেদন করেছিল। তাদেরকে বলা হচ্ছে, দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন ভিসা দিচ্ছে না। এসব ভিসা ইস্যু করার এখতিয়ার তার নেই। ওই ম্যানেজার বলেন, আমাদের অর্থ ফুরিয়ে যাচ্ছে।

এসব ছেলেমেয়ে মধ্য ডিসেম্বর থেকে হোটেলে আছে। তাদের সাথে অনেক অ’ভিভাবকও আছেন। আমরা সবাই বড় ধরনের অ’নিশ্চয়তায় পড়ে গেছি। ভারতে বাংলাদেশের মিশন সাধারণত শিক্ষা ভিসার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সমমানের সনদপত্র চেয়ে থাকে। এর অর্থ হলো, বাংলাদেশের সমমানের সনদপত্র তাদের দিতে হবে।

আরেকটি এডুকেশনাল কনসালটেন্সির মালিক বলেন, সাধারণ কাশ্মীর থেকে অন্তত ৬০০ ছাত্র ও অন্যান্য রাজ্য থেকে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী বাংলাদেশে যায় মেডিক্যাল পড়াশোনা করতে। ভারতীয় সনদপত্রের মান সম্পর্কে মিশন জানে। এ কারণে তারা সমমানের সনদপত্রের ওপর জোর দেয়া থেকে বিরত থাকছে। দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রেস সেক্রেটারি ফারিক হোসাইন বলেন, কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের ভিসা না দেওয়ার কোনো নীতি নেই। কারিগরি কারণে ভিসা পেতে বিলম্ব হতে পারে। তবে বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়নি।


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT