Main Menu

লাথি মেরে গর্তে ফেলে দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি প্রার্থীকে

বিধানসভার উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে উঠল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার করিমপুরের পিপুলখোলা অঞ্চল। অসভ্যতার চরম নিদর্শন দেখা গেল তৃণমূল আশ্রিত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। লাথি মেরে ঠেলে ফেলে দেওয়া হল বিজেপি প্রার্থী জয়প্রকাশ মজুমদারকে। আর পুরো ঘটনাটাই ঘটল রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সামনে।

সোমবার রাজ্যটির তিনটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন। এগুলো হল নদীয়া জেলার করিমপুর, উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্র। সকাল ৮ থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ পর্ব। চলবে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত। কিন্তু ভোট শুরুর কিছু পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে করিমপুর।
এই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পিপুলখোলায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে বিজেপি প্রার্থী জয়প্রকাশ মজুমদারকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চড় ও ঘুষি মারা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুবৃত্তরাই হামলা চালিয়েছে। জয়প্রকাশের ওপর নিগ্রহের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনও রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে।

এ ব্যাপারে জয়প্রকাশ মজুমদার জানান, এই ঘটনাতেই পরিষ্কার যে এ রাজ্যে গণতন্ত্র বলে আর কিছু নেই। তার অভিযোগ ভোটে কারচুপির জন্যই তৃণমূলের ভুয়া ভোটাররা এখানে জমায়েত করেছিল। তবে আমাকে ঠেলে ফেলে দিলেও আমার চরিত্র হরণ করতে পারবে না। আমি প্রতিটি বুথেই নজরদারি চালিয়ে যাবো। আমি নির্বাচনের কাছে ইতিমধ্যেই অভিযোগ জানিয়েছি।’

যদিও জয়প্রকাশের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেন উড়িয়ে দিয়েছে নদীয়া জেলার তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের অভিমত জয়প্রকাশ মজুমদারকে এখানকার মানুষ চায় না।

এর আগে এদিন সকালে করিমপুরের থানারপাড়া সাহেবপাড়ায় জয়প্রকাশ মজুমদারকে কালো পতাকা ও গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়।শিশুদেরকেও গো ব্যাক স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটাও করে পুলিশ। একজন প্রার্থী হিসাবে সমস্ত নথি থাকা সত্ত্বেও তাকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটার প্রায় ৭ লাখের মতো। ভোট প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও অবাধ করতে প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। ফল প্রকাশ আগামী ২৮ নভেম্বর।

উল্লেখ্য, কালিয়াগঞ্জ কেন্দ্রে কংগ্রেস বিধায়ক প্রমথনাথ রায়ের মৃত্যুর কারণে, খড়গপুর সদর কেন্দ্রের বিজেপি দিলীপ ঘোষ বিধায়ক পরবর্তীতে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার কারণে এবং করিমপুর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক মহুয়া মৈত্র পরবর্তীতে সাংসদ হওয়ার কারণে এই তিনটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন জরুরি হয়ে পড়ে।


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT