Main Menu

প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেতে যুবলীগ চেয়ারম্যানে ওমর ফারুকের দৌড়ঝাঁপ

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। এদিকে ইতোমধ্যেই তার ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে এবং বিদেশ যাওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আর এ দুটি আদেশই দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সময়।

রধানমন্ত্রী গতকাল রোববার রাতে দেশে ফিরেছেন। এখন ওমর ফারুক চৌধুরী তার সাক্ষাৎ চাইছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আজ কালের মধ্যেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবেন। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ওমর ফারুক চৌধুরী তার ধানমন্ডির বাসায় আছেন। তবে ঘনিষ্ঠ ছাড়া কাউকে সাক্ষাৎ দিচ্ছেন না তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, যুবলীগের কাউন্সিলের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা এবং কাউন্সিল পর্যন্ত যুবলীগের কার্যক্রম কী থাকবে সে বিষয়ে পরামর্শ নেওয়ার জন্যই যুবলীগ চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে যে, আগামী দুদিন তিনি ব্যস্ত থাকবেন।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করতে পারেন। এছাড়া দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতেরও আয়োজন করা হচ্ছে। এ সমস্ত কর্মসূচীর মধ্যে যুবলীগ চেয়ারম্যানকে কীভাবে সময় দেওয়া হবে, সেটা একটা বড় প্রশ্ন।

তাছাড়া গণভবনের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, যেহেতু যুবলীগ চেয়ারম্যানকে নিয়ে নানারকম প্রশ্ন উঠেছে, সে কারণে প্রধানমন্ত্রী তাকে সময় দেবেন কিনা সেটাও একটা বড় বিষয়। কারণ প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই বিতর্কিতদের এড়িয়ে যাচ্ছেন। একাধিক সংসার ও বান্ধবী থাকলেও যে স্ত্রীর কাছে থাক’তেন সম্রাট

আদি বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায়। বাবা রাজউকে কর্মরত ছিলেন। সেই সূত্রে সম্রাট প্রথমে বসবাস করতেন সরকারি কোয়ার্টারে। কাকরাইলের সার্কিট হাউস সড়কে অবস্থিত ওই কোয়ার্টার। পরে চলে আসেন মধ্য বাড্ডায়।

১৯৯১ সালে যুবলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে আসেন সংগঠনের প্রভাবশালী নেতা সম্রাট। চাচাতো ভাই শরীফ ওই বছর সন্ত্রাসীদের হাতে খু*ন হলে লাইমলাইটে আসেন তিনি।

দুই স্ত্রী এই ক্যাসিনো সম্রাটের। প্রথমজন থাকেন ঢাকার বাড্ডায়। ওই পক্ষে সম্রাটের এক মেয়ে। পড়াশোনা শেষ করেছেন। আর দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন চৌধুরী। থাকেন মহাখালীর ডিওএইচএস-এ। এক ছেলে তাঁর। পড়াশোনা করছেন মালয়েশিয়ায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এ ছাড়া একাধিক বান্ধবী থাকার খবরও প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে। এসব বান্ধবীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন চীনা বান্ধবী সিন্ডি লি। গত বছরের শেষ দিকে সিঙ্গাপুরে সিন্ডি লির জন্মদিনে বড় আকারের পার্টির আয়োজন করেন সম্রাট। সিন্ডি লি সম্রাটের আরেকজন স্ত্রী বলেও শোনা যায়। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয়।

মহাখালীতে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসায়ই স্থায়ীভাবে থাকতেন সম্রাট। তবে দুই বছর ধরে তিনি বাসায় যেতেন না। থাকতেন কাকরাইলে নিজের কার্যালয়ে। সম্রাটরা তিন ভাই। এক ভাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আরেক ভাই দেখাশোনা করতেন সম্রাটের ক্যাসিনো ব্যবসা। ভাইদের সঙ্গে ঢাকায় থাকতেন সম্রাটের মা।

ক্যসিনোবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অভিযান চালানো হয়। এ সময় চৌদ্দগ্রাম থানার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে সহযোগী আরমানসহ সম্রাটকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামের মুনির চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন তাঁরা। গ্রেফতারের পর তাঁদেরকে ঢাকার টিকাটুলিতে অবস্থিত র‍্যাব-৩ এর কার্যালয়ে আনা হয়।


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT