Main Menu

একজন শিক্ষকের চেয়ে পিয়নের বেতন বেশি!

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন পিয়ন বা দফতরি বর্তমানে চাকরির শুরুতে মোট বেতন পান (মহানগরী এলাকায়) ১৫ হাজার ৭১২ টাকা। গ্রামে এ বেতন ১৩ হাজার ৫৫০ টাকা। অন্য দিকে হাইস্কুলের একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক চাকরির শুরুতে সর্বসাকুল্যে বেতন পান ১৩ হাজার ২৫০ টাকা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন পিয়নের ন্যূনতম যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণী পাস। অন্য দিকে হাইস্কুলে শিক্ষকতার ন্যূনতম যোগ্যতা গ্র্যাজুয়েশন। বাস্তবে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস অনেক শিক্ষক রয়েছেন, যারা সরকারি স্কুলের একজন পিয়নের চেয়েও কম বেতনে শিক্ষকতা করছেন।

কলেজের একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক চাকরির শুরুতে বেতন পান ২৩ হাজার ৫০০ টাকা। বর্তমানে কলেজে অনার্স ও মাস্টার্স পাস ছাড়া শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয় না। দেশের বিভিন্ন কলেজে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করা লোকজন শিক্ষকতা করছেন সীমিত বেতনে। সরকারের তরফ থেকে এমপিও হিসেবে টাকা পান তার বাইরে তারা সাধারণত কলেজ থেকে কোনো বেতনভাতা পান না। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেও অষ্টম শ্রেণী পাস একজন পিয়নের চেয়ে সামান্য বেশি বেতনে চাকরি করছেন তারা। আর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষক চাকরির শুরুতে সর্বসাকুল্যে বেতন পান ১৭ হাজার ৫২০ টাকা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির ন্যূনতম যোগ্যতা নারীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি আর পুরুষের ক্ষেত্রে গ্র্যাজুয়েশন।

হাইস্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা বলেন, সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হলো ২০১৫ সালের বেতন স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের টাইম স্কেল, বছরে ৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি ও পদোন্নতি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তার মানে হলো হাইস্কুলের যে শিক্ষক ১৩ হাজার ২৫০ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করবেন সারা জীবন তাকে ওই বেতনেই চাকরি করতে হবে। একইভাবে কলেজের যে শিক্ষক ২৩ হাজার ৫০০ টাকা বেতনে লেকচারার হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করবেন, তিনি যদি ৩৯ বছরও শিক্ষকতা করেন সারা জীবন তাকে ওই একই বেতনে চাকরি করতে হবে। পদোন্নতি বন্ধ থাকায় তাকে সারা জীবন লেকচারারই থাকতে হবে।

শিক্ষকেরা আরো জানান, কলেজের শিক্ষকের বেতন ২৩ হাজার ৫০০ টাকা হলেও বাস্তবে তারা ২২ হাজার টাকার নিচে তুলতে পারেন। অবসর ভাতা ও কল্যাণ ফান্ডের নামে ৬ শতাংশ বেতন কেটে রাখা হয়। হাইস্কুলের শিক্ষকদেরও বছরে কমপক্ষে তিন হাজার টাকা আয়কর দিতে হয়।

৪ বার বিসিএস ভাইভা থেকে ফেরত হারুনুর রশিদ এখন শিক্ষকতায়
হারুনুর রশিদ নারায়ণগঞ্জে হাজী বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেছেন ১৯৯৫ সালে। এমপিওভুক্ত একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি মাসে ৩০ হাজার ৫০০ টাকা পান। হারুনুর রশিদ বলেন, তার বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা আরো একজন শিক্ষক রয়েছেন। তার নাম কফিল উদ্দিন। সব মিলিয়ে তাদের কলেজে মোট সাতজন শিক্ষক রয়েছেন যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে সীমিত বেতনে চাকরি করছেন।

হারুনুর রশিদ বলেন, আমি চারবার বিসিএস পরীক্ষার ভাইভা থেকে ফেরত এসেছি। ৯ বার পিএসসির প্রথম শ্রেণী চাকরির ভাইভা থেকে ফেরত এসেছি। জীবনের স্বপ্ন ছিল প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি করব। হলো না। জীবনে আর কোনো চাকরির চেষ্টা করিনি। শেষে বাধ্য হয়ে বেসরকারি কলেজে শিক্ষকতার পেশা বেছে নিয়েছি।

শিক্ষা ক্ষেত্রে বিরাজমান বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার আমাদের বেতন দেয় না। দেয় অনুদান। চেকের ওপর লেখা থাকে মাসিক অনুদান বাবদ এত টাকা দেয়া হলো। এটি করুণা। এক দিকে সরকার আমাদের অনুদান দেয়, অন্য দিকে আবার আমাদের কাছ থেকে ট্যাক্স আদায় করে। এটি কেমন নিয়ম।

হারুনুর রশিদ বলেন, এমপিও নীতিমালায় লেখা রয়েছে মূল বেতনের সাথে অন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কথা, তা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেবে। কিন্তু ৯০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষকদের কোনো টাকা দেয় না। অথচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করতে হলে এ শর্ত মেনেই চালু করতে হয়। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার সাথে যারা জড়িত, তাদের যারা শিক্ষকদের কোনো আর্থিক সুবিধা দেয় না বা বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম করে চলছে, প্রতিষ্ঠানের আয় নয়ছয় করে লুটপাট করছে; তার কোনো তদারকি সরকার করছে না।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের সুবিধা দেয়া হয় না, বরং বিভিন্নভাবে হয়রানি আর অপদস্থ করেন প্রতিষ্ঠানের মালিক বা পরিচালনার সাথে জড়িতরা। কারণ আমাদের চাকরি তাদের হাতে। তাদের কোনো অনিয়মের প্রতিবাদ করলে শিক্ষকদের ওপর খড়ক নেমে আসে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা উচ্চ শিক্ষিত শিক্ষকদের ওপর প্রভুত্ব করছেন অনেক অশিক্ষিত, অর্ধ শিক্ষিত লোকজন। এটি খুবই বেদনাদায়ক।

হারুনুর রশিদ কথা বলার সময় পাশে দাঁড়ানো একজন শিক্ষক বলেন, আমি দেখেছি ধূমপান করতে করতে কমিটির বৈঠকে প্রবেশ করছে ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য। তার তেমন লেখাপড়াও নেই।

হারুনুর রশিদ বলেন, আমরা আমাদের বঞ্চনার কথা বলতে আসিনি। এসেছি সর্বস্তরের মানুষের স্বার্থে। দেশের স্বার্থে। শিক্ষা ক্ষেত্রে যে বৈষম্য আর নৈরাজ্য চলছে, তার অবসানের লক্ষ্যে। সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান একবার বলেছিলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে যে সঙ্কট চলছে তার একমাত্র সমাধান হলো জাতীয়করণ। আমি এর সাথে সম্পূর্ণ একমত। শিক্ষা ক্ষেত্রে যে নৈরাজ্য, অনিয়ম আর বৈষম্য বিরাজ করছে তার একমাত্র সমাধান জাতীয়করণ ও সুষ্ঠু তদারকি।

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে চলমান অনশনে যোগ দিয়েছেন হারুনুর রশিদ। সেখানে কথা হয় তার সাথে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলা গোপীনাথপুর আলহাজ শাহ আলম কলেজের সহকারী অধ্যাপক কাজী আশরাফুজ্জামান বলেন, আমার কলেজে ২৭ জন শিক্ষক আছেন। তাদের মধ্যে চারজন ডেমোনেসট্রেটর ছাড়া বাকি সবাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করা। আমিসহ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা কমপক্ষে ১৫ জন শিক্ষক রয়েছেন এ কলেজে। একজন রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা।

তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের টাইম স্কেল, ইনক্রিমেন্ট ও পদোন্নতি বন্ধ থাকায় আগামী ১০ বছরের মাথায় কলেজের একজন অধ্যক্ষের বেতন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর নিচে নেমে আসবে। কারণ সরকারি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের বেতন বাড়তে থাকবে প্রতি বছর।

অবসর ভাতা পাওয়ার আগে মারা যান অনেক শিক্ষক
ঢাকার লালবাগে অবস্থিত রহমত উল্লাহ মডেল কলেজের শিক্ষক আবুল বাশার হাওলাদার অনশনস্থলে বসে নয়া দিগন্তকে বলেন, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা অবসরে গেলে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড ও বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে এককালীন কিছু টাকা পান। অবসর সুবিধা বোর্ড থেকে ৭৫ মাসের মূল বেতনের সমান টাকা দেয়ার নিয়ম ২৫ বছর চাকরি পূর্ণ হলে। কিন্তু ২০০৪ সালে অবসর সুবিধা বোর্ড চালুর পর থেকে কাউকে ৭৫ মাসের মূল বেতনের সমান টাকা দেয়া হয় না। ২০০৪ সালের পূর্ব থেকে ৫০ মাসের বেতন ধরা হয়। এরপর ২০০৪ সালের পর থেকে যে শিক্ষক যত বছর পর অবসরে যাবেন ৫০ মাসের সাথে তার তত মাস যোগ হবে। অর্থাৎ ২০০৫ সালে যে শিক্ষক অবসরে গেছেন তিনি ৫১ মাসের মূল বেতনের সমান টাকা পাবেন।

আবুল বাশার হাওলাদারসহ অনেক শিক্ষক অভিযোগ করেন, পাঁচ বছরের আগে কেউ এ অবসর বোর্ড থেকে টাকা তুলতে পারেন না। বছরের পর বছর ঘুরতে হয় শিক্ষকদের। অনেকে টাকা না পেয়ে মারা যান।

অবসরের পর কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে এককালীন টাকা পাওয়ার নিয়ম হলো যিনি যত বছর চাকরি করবেন তিনি তত মাসের মূল বেতনের সমান টাকা পাবেন। তবে সর্বোচ্চ ৩০ মাসের বেশি দেয়া হয় না যদি কেউ ৩০ বছরের বেশিও চাকরি করেন। এ টাকা পেতেও চার থেকে পাঁচ বছর লাগে বলেন জানান আবুল বাশার হাওলাদারসহ অনেক শিক্ষক।

আবুল বাশার হাওলাদার জানান, অবসর সুবিধা বোর্ড প্রতি মাসের বেতন থেকে ৪ শতাংশ ও কল্যাণ ট্রাস্ট ২ শতাংশ বেতন কেটে রাখে চাঁদা হিসেবে।

আবুল বাশার হাওলাদারসহ অনেক শিক্ষক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোনো চাকরির ক্ষেত্রে এমন নিয়ম নেই যে, অবসর ভাতা দেয়ার জন্য বেতন থেকে চাঁদা হিসেবে টাকা কেটে রাখা হয়। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে এটি করা হচ্ছে।

ঈদের আগে কোনো দিন বোনাস পাইনি
এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা জানান, মাসের এক তারিখে কখনো আমাদের বেতন হয় না। সাধারণত ৭-৮ তারিখে বেতন হয়। একজন শিক্ষক বলেন, অনেক এলাকা রয়েছে যেখানে শিক্ষকেরা কোনো বিপদে পড়লে সময় মতো বেতন তুলতে না পেরে চেক বন্ধক রেখে টাকা ধার নেন এবং যার কাছে চেক বন্ধক রাখা হয় সে এক থেকে দুই হাজার টাকা কেটে রাখে।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত হাজী বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি ২২ বছর ধরে শিক্ষকতা করছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনোদিন ঈদের আগে বোনাস পাইনি। ঈদ হয়ে যাওয়ার চার থেকে পাঁচ দিন পর বোনাস পাই।

সরকারি ও বেসরকরি স্কুলে বৈষম্য
সরকারি শিক্ষক ও কর্মচারী এবং এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনভাতার বৈষম্য তুলে ধরে অনশনে যোগ দেয়া শিক্ষকেরা বলেন, আমাদের মাত্র এক হাজার টাকা বাড়িভাড়া দেয়া হয়। সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের স্কেলভিত্তিক পূর্ণ বাড়িভাড়া দেয়া হয়। আমাদের চিকিৎসাভাতা দেয়া হয় ৫০০ টাকা। সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের দেয়া হয় দেড় হাজার টাকা। বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, পাঁচ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও পদোন্নতি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ২০১৫ সালের পে স্কেলের পর। কিন্তু সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সব সুবিধা বহাল রয়েছে। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ২৫ শতাংশ এবং কর্মচারীদের ৫০ শতাংশ উৎসব বোনাস দেয়া হয়। বৈশাখী ভাতা দেয়া হয় না। সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা রয়েছে। এমপিও শিক্ষকদের বদলির কোনো সুযোগ নেই। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এককালীন সামান্য কিছু অবসর ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু মাসিক কোনো পেনশনের ব্যবস্থা নেই।

বাগেরহাট মোড়েলগঞ্জের আর খান ডিগ্রি কলেজের লেকচারার মইনুল হোসেন, হবিগঞ্জ তারাপ হাইস্কুলের শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, মানিকগঘঞ্জ সাটুরিয়া পাইলট গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষক নুরুল ইসলাম সরকার, বগুড়া শেরপুর ভিমজান হাইস্কুলের শিক্ষক মাসুদ রানা, নওগাঁ সাপাহার তিলনা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁদপুর জেলা শিক্ষক ফোরামের সভাপতি এস এম মোস্তফা কামাল প্রধানসহ অনশনে যোগ দেয়া অনেক শিক্ষক বলেন, জাতীয়করণ হলে আমাদের পেশার মান বাড়বে। আমাদের জীবনযাত্রা উন্নত হবে। মেধাবীরা শিক্ষকতায় আসবে। দেশের গরিব মানুষ শিক্ষা ক্ষেত্রে লাভবান হবে।

জাতীয়করণের দাবিতে তিন দিনের ধর্মঘট
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট করছে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ফোরাম।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের এমপিওভুক্ত সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের লক্ষ্যে গত ১০ জানুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষকেরা। এরপর ১৫ জানুয়ারি থেকে আমরণ অনশন শুরু করেন তারা। অনশন কর্মসূচি চললেও সরকারের তরফ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। ছয়টি শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের জোট ‘বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি চলছে।


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT