Main Menu

ফাঁসির দড়িতে জায়গা হওয়ার কথা ইনাম আহমেদের

ইনাম আহমেদ চৌধুরীর ঠিকানা হওয়ার কথা কারাগারে বা ফাঁসির দড়িতে, কিন্তু তার জায়গা হলো আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীতে, যা বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে এক ভয়াবহ দুর্যোগের পূর্ভাবাস বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকারী ইনাম আহমেদ চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেয়ার প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

এসময় লিখিত বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহবায়ক অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিন বলেন, আওয়ামীলীগ ধীরে ধীরে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সরে যাচ্ছে এবং নিজেদের রাজনৈতিক আদর্শ ও চেতনার সমস্ত শক্তির মৃত্যু ঘটিয়ে তারা এখন ভাড়া করা স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-বিএনপি-হেফাজতের দেহে পরজীবী হয়ে বেঁচে থাকতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘ইনাম আহমেদ চৌধুরীর উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ায় আওয়ামী লীগকে নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যিই হলো।’ লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ‘ইনাম আহমেদ চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করার পরে বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ গ্রহণ করে এবং পঁচাত্তরের কালো অধ্যায় ও জেনারেল এরশাদের শাসনামলে একনিষ্ঠ সেবক হিসাবে কাজ করে গেছেন।’

এসময় ইনাম আহমেদকে জেনারেল জিয়ার উত্তরাধিকারী হিসেবে মন্তব্য করে তারা অবিলম্বে ইনাম আহমেদের আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য পদ প্রত্যাহার করার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ঢাবি শাখার সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই বিএনপির সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান ও বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ইনাম আহমে চৌধুরীকে বাংলাদেশ আওয়ামীগের উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

জামিনে মুক্তি পেয়েছেন টাঙ্গাইলের আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা। দুটি হত্যা মামলায় প্রায় তিন বছর আটক থাকার পর আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে তিনি কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেলার আবুল বাশার। মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন গত ১ এপ্রিল আপিল বিভাগেও বহাল থাকে।

কিন্তু টাঙ্গাইলের যুবলীগের দুই নেতা হত্যার মামলায় জামিন না হওয়ায় তার মুক্তি মিলছিল না। ওই মামলাতেও টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন সোমবার বহাল রেখে আদেশ দেয় আপিল বিভাগ।

সেই জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছানোর পর মুক্তি মিললো আলোচিত এই আসামির। মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় দীর্ঘ ২২ মাস পলাতক থাকার পর গত ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন সাবেক এমপি রানা। তবে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT