Main Menu

সিডনিতে জাফর ইকবাল ও ইয়াসমীন হককে নিয়ে নাগরিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

গত  ২৮ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রকাশিত নতুন মাসিক বাংলা পত্রিকা “প্রভাত ফেরী”র পরিবেশনায় এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সাস্ট) এলামনাই অস্ট্রেলিয়া ও রেমিয়েনস অস্ট্রেলিয়া'র  যৌথ উদ্যোগে নাগরিক সন্ধ্যা সিডনির  ব্যাংকসটাউন  ব্রায়ান ব্রাউন থিয়েটার অনুষ্ঠিত হয়।সালেহ আহমেদ জামীর উপস্হাপনায় প্রথমে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রভাত ফেরীর সম্পাদক ও অস্ট্রেলেশিয়ান ইণ্টারন্যাশনাল কলেজের পরিচালক শ্রাবন্তী কাজী আশরাফী। 
 
এই সময় প্রভাত ফেরীর  প্রকাশক বিশিষ্ট আবাসন ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক এবং বিখ্যাত দার্শনিক দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফের নাতি এবং সিলেটের মরমী কবি দেওয়ান হাসন রাজার প্রপৌত্র সোলায়মান দেওয়ান আশরাফী, উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, বিশিষ্ট  কথা সাহিত্যিক ও বাংলাদেশ বেতারের নাট্যকার শাহান আরা জাকির, ইমিগ্রেশন আইনজীবি ডঃ ফয়সাল আহমেদ ও ডাঃ একরাম চৌধুরীকে আগত অতিথিদের সামনে  পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সোলায়মান দেওয়ান আশরাফী তার বক্তব্যে ইয়াসমিন হক, জাফর ইকবাল আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়া এই শিক্ষক দম্পতি সম্পর্কে স্মতিচারন করেন তাদের অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ছাত্র মোঃ জে এ সিদ্দিকী। 
 
  
জীবনের গল্প বলতে প্রথমে শুরু করেন ড. ইয়াসমিন হক , তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে পাকিস্থানে ইয়াসমিন হকের জন্ম, বেড়ে ওঠা, প্রবাসের স্কুলে বাংলা শিখতে না পারার আকুলতা, জাফর ইকবালের সঙ্গে তার পরিচয় বিয়ে, সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে তাদের প্রবাসের জীবন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান, পরবর্তী সময়ে প্রতিকুল পরিস্হিতির সঙ্গে লড়ে যাওয়া দিনগুলির কথা । তবে সবকিছু ছাপিয়ে এই কাহিনীতে মূর্ত হয়ে আছে  ইয়াসমিন হক ও  জাফর ইকবালের ভালবাসার কয়েক দশক, এবং একসঙ্গে পথচলার গল্পটি।
 
 
জাফর ইকবাল তার বক্তব্যে শুরতেই মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন ঘটনার কথা স্মৃতি চারন করে বলেন আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছি তারা হয়ত জেনেটিক্যালি পরিবর্তন হয়ে গেছি, এটি একি সঙ্গে বীরত্বের ইতিহাস, কষ্ঠের ইতিহাস এবং অর্জনের ইতিহাস। 
লেখালেখি এবং সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার কাছে যা সত্যি মনে হয় আমি সেটাই লেখি, আমি সাংবাদিক বা সম্পাদক না যে আমাকে প্রত্যেকটি বিষয় নিয়েই  লিখতে হবে। 

   
 
প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশে পড়াশুনা করে বিদেশে বসাবাস করা বা স্থায়ী হওয়ার কারনে কোন হীনমন্যতায় ভোগা উচিৎ নয়। তিনি আরো বলেন যারা বিদেশে থাকে তারা অনেক ভাবে দেশকে সাহায্য করতে পারে।
 
বাংলাদেশ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নতুন সহস্রাব্দের সম্পদ হচ্ছে জ্ঞান, আমরা যদি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ঠিকমতো  লেখাপড়া করাতে পারি তাহলে আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। 

 মঞ্চ থেকে বিদায় নেওয়ার আগে আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রভাত ফেরীর প্রকাশক সোলায়মান দেওয়ান আশরাফী এবং রেইন ফরেষ্ট ফিউসনের স্বতাধিকারী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিরাজ হোসেন। 


  
বক্তব্য শেষে স্বল্প পরিসরে আয়োজিত সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় গান পরিবেশন করেন জিয়াউল হক তমাল, পলাশ বসাক,মুশফিক, স্রোতস্বিনী নাবিলা, তমালিকা তামান্না,প্রসঙ্গত  শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সাস্ট) এলামনাই অস্ট্রেলিয়া 'র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোঃ সায়েম মোর্শেদ লিপু,  এনামুল কবির খান সুদান, মোঃ সাজ্জাদ সিদ্দিকী , রেমিয়েনস অস্ট্রেলিয়া'র প্রেসিডেন্ট  ডাঃ একরাম চৌধুরী  সাধারণ সম্পাদক পলাশ বসাক, ফয়সাল হোসেন সহ আরো অনেকের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় স্বনামধন্য এই শিক্ষাবিদ দম্পতিকে নিয়ে প্রানবন্ত  নাগরিক সন্ধ্যাটি অনুষ্ঠিত হয়। 


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT