Main Menu

বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ক্যাম্পাস, ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান

দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত বহুল প্রতিক্ষিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির ঘটনায় বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

সোমবার (১১ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে জাল ভোট প্রদান, সিলযুক্ত ব্যাটল বাক্স উদ্ধার, প্রার্থীদের মারধরসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ছাত্রলীগ ছাড়া সব প্যানেলের প্রার্থীরা নির্বাচন বর্জন করেছে।

<iframe frameborder="no" height="250" id="ox_2770556080_538413883" name="ox_2770556080_538413883" scrolling="no" width="300"></iframe>

এই পরিপ্রেক্ষিতে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। ঢাবির প্রায় পুরো ক্যাম্পাসই এখন শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে।

নির্বাচন বর্জনকারী সব জোট, দল ও প্যানেল আলাদা আলাদা বিক্ষোভ মিছিল করে ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছে।

ভোটগ্রহণ চলাকালেই অধিকাংশ শিক্ষার্থী টিএসসি, মহসীন হল, রোকেয়া হল, কুয়েত মৈত্রী হলের সামনে ও ভিসি ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন।

দুপুর ১টার দিকে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণসহ চারটি প্যানেলের প্রার্থীরা মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে মিছিল নিয়ে বের হয়।

প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান
ডাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক এসএম মাহফুজুর রহমান।

সোমবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে রোকেয়া হল থেকে বের হওয়ার সময় তোপের মুখে পড়েন তিনি।

 এ সময় প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া, ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

পরে তিন শিক্ষার্থী তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

জানা গেছে, বেগম রোকেয়া হল ভোটকেন্দ্র থেকে তিনটি ব্যালটবাক্স সরিয়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।

এ ছাড়া ট্রাংকভর্তি ব্যালট উদ্ধারের পর রোকেয়া হলে ভোটগ্রহণ বন্ধ রয়েছে।

এ ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে সেখানে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক এসএম মাহফুজুর রহমান আসেন। তিনি কেন্দ্রের অন্যান্য শিক্ষকের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে বের হয়ে যাওয়ার সময় তিনি তোপের মুখে পড়েন।

সোমবার সকালে ভোট শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আসতে শুরু করে।

বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল থেকে বস্তাভর্তি সিল মারা ছাত্রলীগ প্যানেলের ব্যালট উদ্ধার করা হয়।

পরে শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের প্রতিবাদের মুখে প্রায় তিন ঘণ্টা সেখানে ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল।

এ ছাড়া ভোট জালিয়াতির অভিযোগে শিক্ষার্থীরা প্রোভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ ও প্রক্টর ড. একেএম গোলাম রাব্বানী ও হল প্রভোস্ট শবনম জাহানকে অবরোধ করে রাখেন।

এ সময় বিক্ষুব্ধ ছাত্রীরা প্রোভিসির প্রাইভেটকারটি জালভোটের ব্যালট দিয়ে ঢেকে দেন। ভোট জালিয়াতিকে তারা লজ্জার ভোট বলে স্লোগান দেন।

ছাত্রলীগের সংবাদ সম্মেলন, অভিযোগ অস্বীকার
এদিকে বিকেল ৪টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

তিনি বলেন, নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে প্রতিপক্ষ গুজব ছড়িয়েছে।

রাব্বানী বলেন, ভোটে হারার লজ্জা ঢাকতে তারা মিথ্যা ও নাটকের আশ্রয় নিয়েছে।
তার মতে দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া আজকের ডাকসু নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে এবং জয়ের ব্যাপারে তারা আশাবাদী।


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT