Main Menu

পারিবারিক সহিংসতা বন্ধে মাল্টিকালচারাল সোসাইটি ক্যাম্বেলটাউনের মতবিনিময়

পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে এবং  পারিবারিক সহিংসতা বন্ধে করনীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে ব্যাপক সচেতনতা প্রয়োজন।

গত ২৫ নভেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় সিডনির মিন্টোর  গ্রেঞ্জ পাবলিক স্কুল হলে  মাল্টিকালচারাল সোসাইটি অফ ক্যাম্বেলটাউন ওই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এ্যানি সাবরিনের পরিচালনায় প্রথমে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক এবং সংগঠনটির সভাপতি এনাম হক।

 

মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন  হোয়াইট রিবন দূত পারভেজ খান, কমিউনিটি সংগঠক ইব্রাহিম খলিল,   কমিউনিটি সংগঠক  নাসিম সামাদ,  কমিউনিটি স্কুল শিক্ষক    নাসরিন মোফাজ্জল, প্যাসিফিক কমিউনিটি সংগঠক মার ফ্রুয়ান, আফগান কমিউনিটি পক্ষে বারাকাত হোসেনজাদ, রোটারি ক্লাব ফাইভ  ডকের সভাপতি ডঃ ফ্রাঙ্ক আলাফাশি   , শিক্ষাবিদ ডঃ   শফিকুর রহমান,   ক্যানটারবারি ব্যাংকস্টাউনের কাউন্সিলের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হুদা,কমিউনিটি স্কুল শিক্ষক মিলি ইসলাম, সলিসিটার অক্ষয় রাজ,  ক্যাম্পবেলটাউন সিটি পুলিশ কমান্ডের চিফ ইন্সপেক্টর জেসন ইনকস্টার, হোয়াইট রিবন  এ্যাডঃ  কানিতা কানিতা আহমেদ,  আল ফয়সাল কলেজের উপধ্যক্ষ সুনালী লুথরা, নেপালের কমিউনিটি পক্ষে  উষা খাদকা, শিক্ষাবিদ শিবলী আব্দুল্লাহ, শিখ কমিঊনিটির পক্ষে  আমর সিং,  ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের মেয়র জর্জ ব্রাইটিসভিক, ভারতীয় কমিউনিটির কর্মী প্রীতি সারমা, হোয়াইট রিবন অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি গায়থ্রী ধর্মগেসেন।   সমাপনী বক্তব্য রাখেন  ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী।

পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে ব্যাপক সচেতনতা প্রয়োজন উল্লেখ করে বক্তারা আরও বলেন, পারিবারিক সহিংসতা অস্ট্রেলিয়াতে একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।পারিবারিক সহিংসতার দু’টি রূপ। প্রথমত, পুরুষ কর্তৃক নারীর উপর নির্যাতন বা সহিংসতা। দ্বিতীয়ত, নারী কর্তৃক পুরুষের উপর নির্যাতন বা সহিংসতা। এছাড়াও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপর নির্যাতন বা সহিংসতাও পারিবারিক সহিংসতার অন্তর্ভুক্ত।

সমাজের মৌলিক ভিত্তি হলো পরিবার। একটি পরিবার একটি প্রতিষ্ঠান। পরিবারেই মানুষ পায় ভবিষ্যৎ জীবনের পথ নির্দেশনা। জীবন আসলে গড়ে ওঠে এখান থেকেই। মানুষের সর্বপ্রথম বিদ্যাপীঠও বলা হয় পরিবারকে। পারষ্পারিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও দৃঢ় বন্ধনের মাধ্যমে পরিবারে বেড়ে ওঠা একজন মানুষ সমাজের সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করে থাকে। পরিবার তাই মানুষের জন্য স্বপ্নডাঙ্গা। মানুষের জীবনে পরিবারের ভূমিকা ও গুরুত্ব অপরিসীম।

বর্তমান যান্ত্রিক জীবনে পারিবারিক কলহ কিভাবে মানুষ, সমাজ ও রাষ্ট্রকে প্রভাবিত করছে আর সেখান থেকে কিভাবে অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো যায় এ বিষয়গুলো আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।

পরিবারের সম্প্রীতির বিষয়টি নিয়ে সবার আগে ভাবতে হবে। একক পরিবারের প্রধান দুটি অঙ্গ মা ও বাবা। তাঁদের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পর্কের ওপর অনেকাংশে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল। পারিবারিক কলহের কারণে কেন সন্তানরা মানসিক ও আচরণগত দিক থেকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে তাদের আচরণগত বৈশিষ্ট্য বিরূপভাবে প্রভাবিত হয়, যা তাদের মধ্যে সমাজবিরোধী আচরণ গড়ে তোলে। যদি তাদের মা-বাবার বাদানুবাদ একটি সন্তানের আবেগ ও অনুভূতিকে প্রভাবিত করে বা মা-বাবার বিচ্ছেদ ঘটার আশঙ্কা থাকে, তবে সন্তানদের মানসিক সমস্যায় ভুগতে হতে পারে, যেমন—বিষণ্নতা ও উদ্বিগ্ন থাকা।

তাই সহিংসতার  শিকার হলে চুপ না থেকে প্রতিকারমূলক ব্যবস্হা নিতে  সকলের প্রতি আহবান জানান।  এই সময় নারীর প্রতি পুরুষের সহিংসতা রোধে তাদের পক্ষে দাড়াতে, কথা বলতে এবং যতাযত ব্যবস্হা গ্রহন করতে উপস্হিত সকলে  শপথ গ্রহন করে।

 

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশগ্রহন করেন  স্বপ্ন ব্যান্ডের মিঠু  ও নৃত্যশিল্পী আশমিতা ।

 


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT