Main Menu

২০৫০ সাল নাগাদ সুপারবাগে ‘লাখ লাখ প্রাণহানি’র শঙ্কা

অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া সুপারবাগের সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় লাখ লাখ মানুষ প্রাণ হারাবে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা। অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) হাসপাতালগুলোয় মৌলিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার হ্রাসের ওপর জোর দিয়েছে। অন্যথায় জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনীতিতে ‘ভয়াবহ বিপর্যয়’ নেমে আসবে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। খবর এএফপি।

চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত ভিন্ন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওষুধের কার্যক্ষমতা প্রতিরোধকারী ব্যাকটেরিয়ার কারণে ২০১৫ সালে ইউরোপে ৩৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ওইসিডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৫০ সাল নাগাদ সুপারবাগের কারণে ২৪ লাখ মানুষের প্রাণহানি হতে পারে এবং প্রতিবেদনে উল্লিখিত প্রতিটি দেশে এ ধরনের সংক্রমণের চিকিৎসা ব্যয় বছরে বেড়ে গড়ে ৩৫০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে।

ওইসিডির জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান মিশেল চেচিনি এএফপিকে এ প্রসঙ্গে বলেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-রেসিস্ট্যান্ট (এএমআর) বাগ-সংক্রান্ত চিকিৎসার পেছনে এরই মধ্যে দেশগুলো তাদের স্বাস্থ্যসেবা বাজেটের ১০ শতাংশ ব্যয় করে ফেলেছে। তিনি আরো বলেন, ‘এএমআরের চিকিৎসা ব্যয় ইনফ্লুয়েঞ্জা, এইচআইভি অথবা ক্ষয়রোগের চেয়েও বেশি। এ সমস্যা প্রতিরোধে দেশগুলো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ব্যয় আরো বেড়ে যাবে।’

সাধারণত মানুষ তাদের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে থাকে। এছাড়া কৃষিপণ্য এবং গবাদি পশুকে বিভিন্ন রোগ-জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতেও অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়। এ মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার মানুষের রোগপ্রতিরোধ সক্ষমতা কমিয়ে দেয়।


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT